কুমিল্লাসোমবার, ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এবারের ঈদেও সড়কে মৃত্যুর মিছিল, সমাধান কী?

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুন ১, ২০২৬ ১:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের সড়কগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তবে প্রতিবছর ঈদ এলেই যেন সড়কগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের ঈদুল আজহার যাত্রাতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে একের পর এক দুর্ঘটনা। বিশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থা ও বেপরোয়া গতি ফিরতি যাত্রা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোক দেখানো অভিযানে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলে সামান্য অর্থ সাশ্রয়ের আশায় ঝুঁকি নিয়ে রডবাহী ট্রাকে চড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ শ্রমিক। অন্যদিকে, নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়া স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ কাঁধে নিয়ে এক ব্যক্তির ছুটে চলার দৃশ্য নাড়া দিয়েছে পুরো দেশকে।

কোথাও যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়েছে, কোথাও আবার ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝরে গেছে একাধিক প্রাণ। যাত্রীরা বলছেন, ওভারটেকিংয়ের সময়ই বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাস চালানোর কারণে এসব দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ২১ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদযাত্রায় ১৯৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪১ জন নিহত এবং ৫৪০ জন আহত হয়েছেন। সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত ঈদগুলোর তুলনায় এবার দুর্ঘটনা কিছুটা কম মনে হচ্ছে। তবে যে পথে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টায় যাতায়াত করা সম্ভব, সেখানে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগা একেবারেই অস্বাভাবিক।

অন্যদিকে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ঈদকেন্দ্রিক সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং, চালকের ক্লান্তি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল।

অন্যদিকে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ঈদকেন্দ্রিক সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং, চালকের ক্লান্তি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল।