সোমবার (২৪ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের মোহনপুর-পদুয়া বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে আদালত উভয়কে কারাগারে পাঠান।
স্থানীয়দের দাবি, বায়েজিদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বাতাঘাসী ইউনিয়নের যুগ্ম সমন্বয়কারী। তিনি ওই গ্রামের মৃত স্বপ্ন খন্দকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে বায়েজিদ এক তরুণীকে নিয়ে মোহনপুর-পদুয়া বাজারের একটি ফাঁকা দোকানে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে দোকানের সাঁটার বন্ধ দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দোকানে গিয়ে তাদের ভেতরে দেখতে পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান। পরে তারা এসে দোকানটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে চান্দিনা থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বায়েজিদ ও ওই তরুণীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পুলিশ তাদের নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দোকানটিতে ব্যবসায়িক কোনো মালামাল ছিল না, কেবল একটি চৌকি বা খাট ছিল। সেখান থেকেই তাদের আটক করা হয়।
বায়েজিদের দলীয় পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে চান্দিনা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক আবুল কাশেম অভি বলেন, বায়েজিদ এনসিপির কোনো পদে নেই। যে কমিটিতে ছিলেন ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তসাপেক্ষে যদি তার পদ-পদবি বা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টারে বায়েজিদ খন্দকারকে ‘২নং বাতাঘাসী ইউনিয়ন এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী’ হিসেবে উল্লেখ থাকতে দেখা গেছে। ওই সব পোস্টারে আবুল কাশেম অভিকেও উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে দেখানো হয়েছে।












