ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সরকার এখন ‘আত্মরক্ষার’ ওপর মনোযোগ দিচ্ছে।
মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, ‘যারা কূটনীতি অনুসরণের দাবি করেছিল কিন্তু ইরানের যুক্তির মুখে নত হয়ে সামরিক বিকল্পের দিকে ঝুঁকেছে, তাদের ওপর চিরস্থায়ী কলঙ্ক লেগে থাকবে।’
আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু জোর দিয়ে বলেন, তেহরান নিজেকে ‘মানবিক নীতিমালায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ মনে করে।
তিনি বলেন, ‘জায়নিস্ট শাসন কোনো অপকর্ম থেকে বিরত থাকে না।
আমি আমার আরব বন্ধুদের গভীরভাবে ভাবতে বলছি। এই শাসন যুদ্ধের পরিসর বাড়াতে, ইরানের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এবং অন্যান্য দেশে অপরাধ সংঘটনে দ্বিধা করে না।’
বাঘাই বলেন, ‘অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে বর্তমানে একমাত্র অবশিষ্ট শক্তি ইরান,’ এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে উল্লেখ করছেন বলেও ইঙ্গিত দেন।












