রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুল হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্ব শত্রুতা ও আর্থিক বিরোধকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—আকতার হোসেন, মুন্না, মিরাজ ফকির ও নয়ন ওরফে খোকন। তাদের কেরানীগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে আকতারের পূর্বে মারামারি এবং মামলা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। পাশাপাশি তাদের মধ্যে অর্থ লেনদেন নিয়েও দ্বন্দ্ব চলছিল। এসবের জেরে পরিকল্পিতভাবে পরিচিতদের মাধ্যমে আসাদুলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছুরিকাঘাত ও ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের স্বজনের করা মামলায় গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।
ডিসি ইবনে মিজান বলেন, মোহাম্মদপুর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং চেকপোস্ট জোরদার করা হবে, যাতে বাইরে থেকে এসে কেউ অপরাধ করে পালাতে না পারে।
এর আগে ১৬ এপ্রিল রাতে রায়েরবাজার এলাকায় আসাদুল হককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক অভিযানে র্যাব-২ আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।












