সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো খেলবেন লিওনেল মেসি, সেটিও আবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মঞ্চে। তাই ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। আগামীকাল (১৫ জুলাই) আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটি সামনে রেখে সমর্থক, বিশ্লেষক এবং সাবেক ফুটবলাররা ইতোমধ্যেই নানা ধরনের পূর্বাভাস ও বিশ্লেষণ শুরু করেছেন।
৩৯ বছর বয়সেও মেসিই চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে কীভাবে আটকে রাখা যায়, সেই পরিকল্পনা সাজাতে গলদঘর্ম ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেলের কোচিং স্টাফ। এ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্লেষণও সামনে আসছে। আর সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ও বিশ্লেষক জে বোথরয়েড ইতোমধ্যেই এমন একজন খেলোয়াড়ের নাম বলেছেন, যিনি মেসিকে থামানোর ক্ষমতা রাখেন বলে তার বিশ্বাস।
স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোথরয়েড বলেন, টটেনহ্যাম হটস্পারের ডিফেন্ডার জেড স্পেন্স-ই সেই খেলোয়াড়, যিনি আর্জেন্টাইন অধিনায়কের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এই ম্যাচে মেসি ডান দিক থেকে ভেতরে, সেন্ট্রাল এলাকায় অনেক বেশি ঘোরাফেরা করবে। সে বাম দিকেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আমার মনে হয়, ওই জায়গায় যদি স্পেন্স থাকে, তাহলে ওয়ান-অন-ওয়ান ডিফেন্ডার হিসেবে তার চেয়ে ভালো আর কেউ নেই।’
বোথরয়েড আরও বলেন, ‘পজিশনিংয়ের দিক থেকে হয়তো অন্য কারও কথা বলা যেতে পারে। কিন্তু স্পেন্স এমন একজন ডিফেন্ডার, যার দুর্দান্ত রিকভারি গতি রয়েছে। সে ইংল্যান্ড দলের অন্যতম দ্রুতগতির খেলোয়াড়। হয়তো টুখেল ভাবতে পারেন, “এই ছেলেটাই মেসির বিপক্ষে লড়াই করতে পারে।” অবশ্য মাঠে থাকা প্রত্যেক খেলোয়াড়ই মেসির কাছে যেতে চাইবে এবং তার প্রভাব কমানোর চেষ্টা করবে। তবে এটা খুবই কঠিন ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
চলতি বিশ্বকাপে মেসি দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ছয় ম্যাচে তিনি করেছেন ৮টি গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট। শুধু চলতি আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতাই নন, মেসি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেও ২১ গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন।
মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, তিনি দুই লাইনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা খুঁজে নিতে পারেন এবং একটি মুহূর্তেই ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। তাই বোথরয়েডের মতে, স্পেন্সকে ব্যবহার করা কার্যকর হতে পারে। যদিও তিনি টুখেলের নিয়মিত প্রথম একাদশের খেলোয়াড় নন, তবুও বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ছয়টি ম্যাচেই খেলেছেন এবং ঘানা ও ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে শুরুর একাদশে ছিলেন।












