কুমিল্লামঙ্গলবার, ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে যা জানালেন বিজিবি মহাপরিচালক

প্রতিবেদক
Cumilla Press
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ ৮:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে এবং নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর মতবিনিময় সভা।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিজিবির নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন এবং স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
 

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, নির্বাচনের আর মাত্র দুদিন বাকি। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার এলাকা নিরাপদ রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলায় মোট ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মাঠে কাজ করছেন। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।


সমন্বয় সভায় বিজিবি প্রধান বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘কোনো কুচক্রী মহল বা দুষ্কৃতকারী যাতে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।’


বিজিবি মহাপরিচালক জানান, নির্বাচনকালীন যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য আকাশপথে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহারের পাশাপাশি কুইক রেসপন্স ফোর্স, র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম এবং বিশেষায়িত K-9 ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি সদস্যের শরীরে থাকবে বডি-অন ক্যামেরা, যা মাঠপর্যায়ের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।


এদিন সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রি কলেজ এবং দুপুরে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজে আয়োজিত সভায় সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়ার অঙ্গীকার করা হয়।