নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বালিকাদের ফুটবলে ‘ফাইনালসেরা’ হওয়ার পর রংপুরের স্মৃতি কিসকু জানিয়েছিলেন, একটি মোবাইল ফোনের অভাবে মায়ের সঙ্গে প্রায় ৩ মাস কথা বলতে পারছিলেন না। সেই খবর উঠে আসে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিবেদনে।
কিন্তু চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে গ্রামে গিয়ে মাকে পাননি স্মৃতি। জানা যায়, তার মা মাতি মাই হেমরন কাজের সন্ধানে রাজধানীতে এসেছেন। তবে মায়ের কাছে কোনো ফোন না থাকায় তার সাথে যোগাযোগও করা যাচ্ছে না।
জানা যায়, অতিসাধারণ এক পরিবারে জন্ম স্মৃতি কিসকুর। আর্থিক সংকটের কারণে মায়ের কাজের সন্ধানে নামা। স্বামী সোবহান হাসদা মারা গেলে সংসারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন কিসকুর মা। তাই বিভিন্ন বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতে হয় মাতি মাই হেমরনকে। অভাব, অনটন আর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মা পাশে থাকায় আজ স্মৃতি নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।
স্বপ্ন পূরণের পর এখন সময় ডালপালা মেলার। মাকে আরও প্রবল পাশে চাই। কিন্তু মা এখন কোথায় আছেন, কেমন আছেন? তা নিয়ে শংকিত স্মৃতি কিসকু। দেশবাসীর কাছে সন্ধান চেয়েছেন তার মায়ের।












