ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের বিলেরবাড়ি এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তঃসত্ত্বা বাকপ্রতিবন্ধী আসমা বেগম, তার স্বামী কাঠমিস্ত্রী দুলাল বেপারী এবং তাদের চার সন্তান খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার বিকেলে তারা বাড়ির বাইরে গেলে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ঘরে আগুন দেয়। মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে বসতঘর, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নগদ টাকা ও সংসারের সব মালামাল পুড়ে যায়।
দুলাল বেপারী জানান, শ্বশুরের দেওয়া সামান্য জমিতে প্রায় দুই বছর আগে কষ্ট করে ঘরটি নির্মাণ করেন। ঘরটিতে বিদ্যুতের সংযোগ না থাকায় তিনি আগুন লাগার ঘটনাকে নাশকতা বলে সন্দেহ করছেন।
তিনি বলেন, আমি একজন কাঠমিস্ত্রী। দিন এনে দিন খাই। আমার স্ত্রী বাকপ্রতিবন্ধী ও অন্তঃসত্ত্বা। চার সন্তানকে নিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে। ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, কীভাবে চলব, বুঝতে পারছি না।
স্থানীয়রা জানান, অসহায় পরিবারটির পাশে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও চার শিশুর নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, অসহায় পরিবারটির পাশে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও চার শিশুর নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












