মো: জহিরুল ইসলাম খান।
কুমিল্লা নগরীর গ্র্যান্ড দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্টে জোট নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি লেপনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির সাহিত্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর প্রতিকৃতিতে কালি লেপনের মতো নিন্দনীয় ও ধৃষ্টতাপূর্ণ ঘটনা শুধু একজন বিশ্ববরেণ্য কবির প্রতি অবমাননা নয়, বরং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর আঘাত।
কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট এ ধরনের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো অপশক্তি কিংবা উগ্র মানসিকতা বাঙালির চিরায়ত সাংস্কৃতিক চেতনাকে স্তব্ধ করতে পারবে না। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন ও মানবতাবাদী আদর্শ আমাদের চেতনায় ও হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
এসময় উপস্থিত জোট নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট সবসময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে এবং সকল অপসংস্কৃতি ও অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও বর্তমান কার্যকরী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো:আশিকুর রহমান শিশির এর সঞ্চালনায় উক্ত প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জোটের সাবেক সভাপতি এড. শহীদুল হক স্বপন, সাবেক সভাপতি খন্দকার হুমায়ূন কবির, সাবেক সভাপতি দিলনাশি মোহসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক উত্তম বহ্নি সেন,অধুনা থিয়েটারের সাবেক সভাপতি ও জোটের বর্তমান কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি এড.নাজনীন আক্তার কাজল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান মামুন, ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জোটের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা আহমেদ, বর্তমান কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি রসিক কবি আব্দুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক তানিম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক মো: মঈনুদ্দিন খাঁন মাহাদী, কল্যাণ সম্পাদক শিপন হোসেন মানব, সদস্য আজাদ সরকার লিটন, দেলোয়ার হোসেন টুটুল সহ অন্যান্য জোট নেতৃবৃন্দ ও কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের বন্ধু সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দসহ আরও অনেকে। পরিশেষে, আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে উক্ত প্রতিবাদ সভার সমাপ্তি ঘটে।












