মাগুরার সদর উপজেলার পূর্ব সিতারামপুর গ্রামে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের চার দিন পর শারিরীক অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তাকে মাগুরা ২৫০শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করলে ঘটনা জানাজানি হয়।
এত দিন অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবারের অনুরোধে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আকরাম হোসেন লিটু। সে সম্পর্কে ধর্ষিতা শিশুটির চাচা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পূর্ব সিতারামপুরে সাত বছরের শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে সোমবার আকরাম হোসেন লিটুর মরিচ খেতে মরিচ তুলতে যায়। প্রচণ্ড রোদ্রের তাপ সহ্য করতে না পেরে শিশুটি মাকে মরিচ খেতে রেখে একা বাড়ি চলে আসে। এ সময় প্রতিবেশি চাচা আকরাম হোসেন লিটু তাকে নিজ বাড়িতে ঢেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর পরই শিশুটি বিষয়টি ধর্ষকের মেয়ে মারিয়া খাতুনকে জানালে মারিয়া খাতুন মরিচ খেতে গিয়ে আকরাম হোসেন লিটুর স্ত্রীকে জানালে সে ধর্ষিতার মায়ের পায়ে জড়িয়ে ধরে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করে। সেই অনুযায়ী বিষয়টি গোপন ছিল। কিন্তু গত চারদিনে শিশুটি ক্রমাগতভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা বিষয়টি শিশুটির বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের খুলে বলে। এ সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ শিশুটিকে নিয়ে মাগুরা ২৫০শয্যা হাসপাতালে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে গাইনি বিভাগে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে মাগুরা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগ আমাদের এখনও জানানো হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।












