রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট নিরসনে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
দুই দেশের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানো হবে, যাতে চলমান মানবিক সংকটের মূল কারণ ও এর প্রভাব মোকাবিলা করা যায়।
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের দুরবস্থা নিরসনে কাজ করবো।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি, বিশেষকরে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ওপর জোর দিতে হবে, যা ভবিষ্যতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।
তার ভাষ্য, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও বাড়ানো উচিত। কৃষি অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে বহাল থাকলেও এখন আমাদের নজর দিতে হবে জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল অর্থনীতি ও উন্নত প্রযুক্তির উৎপাদন শিল্পের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোর দিকেও।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও দুই দেশ একমত পোষণ করেছে। বিশেষ করে গাজায় ফিলিস্তিনিদের চলমান মানবিক দুর্ভোগ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়েও অবস্থান ব্যক্ত করা হয়।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যে ‘কালচারাল কো-অপারেশন’ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর ও বিনিময় করা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টি টেররিস্ট রিসার্চ এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও সহায়তা সংক্রান্ত দুটি নোট বিনিময় (ইওএন) সম্পন্ন হয়।
উভয় পক্ষই বলেছে, এসব উদ্যোগ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল, ঘনিষ্ঠ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।












