ঢাকায় হাসপাতালের বারান্দা থেকে পড়ে অভিনেত্রী আসমা আক্তার ঝিলিকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী সাফি উল্লাহ ওরফে মহব্বতকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আত্মহত্যায় প্ররোচনায় করা এ মামলায় রোববার আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন ধানমন্ডি থানার এসআই কাজী আব্দুল মান্নান।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার জানান, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম।
শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ তলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ঝিলিকের। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মোজাম্মেল হক শনিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় অভিনেত্রীর স্বামী সাফি উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেদিন সাফিকে এক দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পেটের ব্যথা নিয়ে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাফি। সুস্থ হওয়ায় শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপর ঝিলিক তার স্বজনদের হাসপাতালে বিলের জন্য ১৬ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঝিলিকের সঙ্গে ছোট বোন রেশমি আক্তারের ভিডিও কলে কথা হয়। এর ঘণ্টা খানেক পর সাফি তার শ্বশুরকে ফোন করে বলেন, ঝিলিক কেবিনের পেছনের খোলা বারান্দা দিয়ে পড়ে মারা গেছেন।
ছোট ও বড় পর্দা মিলিয়ে আসমা আক্তার ঝিলিক বেশকিছু কাজ করেছেন। চিত্রনায়ক শাকিব খান অভিনীত ‘রংবাজ’ সিনেমার একটি চরিত্রেও কাজ করেছেন তিনি।
ঝিলিকের ভাই মোজাম্মেল হক জানান, ঝিলিক অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি স্বামী-সন্তান নিয়েই থাকতেন।










