আব্দুল্লাহ, কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র না মানার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগপত্রে বলা হয় অগণতান্ত্রিক ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়।
অভিযুক্ত ০৯ (নয়) জন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষটি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, তারা মনে করছেন উক্ত সাধারণ বিজ্ঞপ্তিতে ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী পরিষদের ০৮ (আট) জন সদস্য ও ০১ (এক) জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর বিষয়ে যে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এই বিষটি মিথ্যা ও উদ্দ্যশ্যপ্রণোদিত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয় সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা রোধে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, সে তদন্ত কমিটি কোন সাধারণ সভার মাধ্যমে গঠন করা হয় নি বা এই বিষয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ সদস্যদের লিখিত ভাবেও জানানো হয় নি। তদন্ত কমিটি ০৯ (নয়) জন কর্মচারীর স্বাক্ষাৎকার বা জবানবন্ধী নেওয়ার জন্য কোন মাধ্যমে যোগাযোগ করে নি । তবুও এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে ০৯ (নয়) জন সদস্যকে শান্তি প্রদান করা হয়েছে। কোন সাধারণ সভা না ডেকে ০৯ জনের বিষয়ে যে, অভিযোগ এনে পরিষদের সদস্য পদ বাতিল এবং নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না মর্মে যে শান্তি প্রদান করা হয়েছে তা গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ও অগণন্ত্রিক।
অভিযুক্ত হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন অফিস সহকারী কাম ডাটা প্রসেসর এ.কে.এম. কামরুল হাসান, ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট নাছির উদ্দিন,মোঃ আব্দুল আওয়াল,অফিস সহকারী কাম ডাটা প্রসেসর মোঃ জিয়াউর রহমান,মোঃ হাবিবুর রহমান,মোঃ আব্দুল কাদের, ড্রাইভার গ্রেড-২ মোঃ শাহিনুর রহমান,ডেসপার্স ক্লার্ক মোঃ আবুল বাসার,বাগান মালী মোঃ শামছু মিয়া।
এ বিষয়ে পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি এ.কে.এম. কামরুল হাসান বলেন, আমাদের ব্যাপারে কর্মচারী পরিষদ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা একেবারেই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা তবুও পরিষদ বরাবর চিঠি দিয়েছি যেন আমাদের শাস্তি পুনঃবিবেচনা করে। আমরা চাই গঠন্তন্ত্র এবং নিয়ম মেনে আমাদের বিষয় বিবেচনা করা হোক এবং সবাইকে স্বাধীনভাবে নির্বাচন করার অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হোক।
কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুহসিন বলেন, আমরা গঠনতন্ত্র মেনে সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ নিয়মবহির্ভুত কোন সিদ্ধান্ত আমরা নেই নি। সমিতির সকলের সম্মতিক্রমে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে কর্মচারী পরিষদের এক বিজ্ঞিপ্তিতে ৯ (নয়) জনের বিরুদ্ধে শাস্তির বিষটি নিশ্চিত করা হয়।












