কুমিল্লামঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে কেন ভাবেন না, জানালেন এমবাপ্পে

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুন ২৩, ২০২৬ ৩:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গত বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি আর কিলিয়ান এমবাপ্পে পাল্লা দিয়ে গোল করেছিলেন। চলমান বিশ্বকাপেও সেই ধারা বজায় আছে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মেসির হ্যাটট্রিকের দিনে এমবাপ্পে সেনেগালের বিপক্ষে করেছিলেন জোড়া গোল। দ্বিতীয় ম্যাচে আর্জেন্টাইন মহাতারকার জোড়া গোলের জবাবে ইরাকের বিপক্ষেও জোড়া গোল করেছেন ফরাসি তারকা। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যাওয়া মেসির রেকর্ড ভাঙতে বিদ্যুৎগতিতে ছুটছেন ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে।

ইরাকের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩–০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল করা কিলিয়ান এমবাপ্পে লিওনেল মেসির সঙ্গে দ্বৈরথের ব্যাপারে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তিনি প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টাইন তারকার পারফরম্যান্স নিয়ে ভাবেন না। তিনি বলেন, ‘লিও কী করে সেটা যদি দেখতে শুরু করি, তাহলে আমাকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে।’


ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেওয়ার পর ফরাসি ফরোয়ার্ড আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ও সাবেক ক্লাব সতীর্থ মেসির প্রশংসা করেন। কয়েক ঘণ্টা আগেই মেসি দুই গোল করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডে শীর্ষে উঠেছিলেন।


এমবাপ্পে বলেন, ‘লিও সবসময় গোল করে। সে সবসময় করেছে এবং সবসময় করবেও। আমি যদি তার দিকে মনোযোগ দিই, তাহলে আমাকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’ রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা আরও যোগ করেন, ‘আমি তার ব্যাপারে একদমই মনোযোগ দিই না। আমি শুধু আমার দলকে সাহায্য করার কথা ভাবি।’

এটি ছিল ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে এমবাপ্পের শততম ম্যাচ। বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬–তে, যা মিরস্লাভ ক্লোসার সমান এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির চেয়ে মাত্র দুটি কম।


গ্রুপ পর্বে দলের দুই ম্যাচেই জোড়া গোল করে জয় এনে দেয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি খুব ভালো অনুভব করছি। সবাই জানে বিশ্বকাপ একজন খেলোয়াড়ের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। আমি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ভালো মৌসুম কাটানোর চেষ্টা করেছি। জানুয়ারিতে আমার গুরুতর চোট হয়েছিল, এরপর আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে সেরা অবস্থায় ফিরে এসেছি, যাতে এখানে ভালোভাবে আসতে পারি।’


শেষে তিনি ফিলাডেলফিয়ায় ভয়াবহ ঝড়ের কারণে ম্যাচ চলাকালে হওয়া দুই ঘণ্টার বিরতি নিয়েও কথা বলেন, “এটা ছিল খুব দীর্ঘ রাত। অনেক সময় কেটেছে, আবেগগতভাবে এবং নার্ভাস অবস্থায়ও। এটা খুব কঠিন ছিল কারণ আমাদের ফোকাস ধরে রাখতে হয়েছিল, ড্রেসিং রুমে থাকতে হয়েছিল।’


‘প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা আমরা ড্রেসিং রুমে ছিলাম। ফোকাস রাখা খুব কঠিন। এটা অনেক চাপের। আমরা চেষ্টা করেছি মানসিকভাবে ম্যাচে যুক্ত থাকতে। এটা খুব জটিল ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করেছি,’–তিনি যোগ করেন।