পাবনার সাঁথিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে আলিফ (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আলিফ রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত রইজ শেখের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে জীবিকার সন্ধানে লিবিয়ায় যান বাদশা। এরপর তার স্ত্রী আসমানী খাতুনের সঙ্গে আলিফের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের অগোচরে আলিফ মাঝেমধ্যেই ওই বাড়িতে যেতেন। সোমবার রাতেও তিনি সেখানে যান।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির অন্য সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলিফের মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়দের দাবি, ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জেনে যাওয়ার পর আলিফকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ভাষ্য, রাতে ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আলিফ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ওই নারী রাজি না হওয়ায় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে
তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে পরকীয়া সম্পর্কের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।












