মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে ভোলা শহরের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নুরে আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বোরহানউদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা নুরে আলম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। এ সুযোগে একই এলাকার নকিব কসাই নিজেকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী দাবি করে তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, নকিব কসাই প্রথমে নুরে আলমের স্ত্রীর আস্থা অর্জন করেন। পরে বিভিন্ন কৌশলে জমি বিক্রির টাকা, স্বর্ণালংকার এবং প্রবাসে উপার্জিত অর্থসহ কয়েক কোটি টাকার সম্পদ হাতিয়ে নেন। পরিবারের দাবি, গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে এসব সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এতেই থেমে থাকেননি তিনি। নুরে আলমের অভিযোগ, তার স্ত্রী ও দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছেন নকিব কসাই। যদিও তিনি প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ে করার দাবি করছেন, নুরে আলমের ভাষ্য অনুযায়ী তাদের মধ্যে এখনো কোনো আইনগত বিচ্ছেদ হয়নি।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কন্যার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারটি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, স্ত্রী ও সন্তানদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে নুরে আলমকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ভীতিও দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিবারের ভাষ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতেও প্রতারণা, অপহরণ, চুরি ও সহিংসতার নানা অভিযোগ রয়েছে এবং কয়েকটি মামলা বিচারাধীন আছে।
সবকিছু হারিয়ে এখন অসহায় অবস্থায় রয়েছেন নুরে আলম। তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, স্ত্রী-সন্তানদের নিরাপদ উদ্ধার এবং আত্মসাৎ হওয়া সম্পদ ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।











