এক মোটরসাইকেলে চালকসহ তিনজন আরোহী ছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ৩ জনেরই মৃত্যু হলো। ঘটনাস্থলে রাতুল (১৮) ও লিমনের (২২) মৃত্যু হলেও শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বাধীনের (২২) মৃত্যু হয়। নিহত স্বাধীন ও রাতুল দুই ভাই।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে রাতুলের মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। বাড়িতে চলে স্বজনদের আহাজারি। স্বজনদের কেউ আবার আহত স্বাধীনের চিকিৎসার জন্য করছিলেন হাসপাতালে ছোটাছুটি। এমন পরিস্থিতির মধ্যে কেটেছে রাত। সকালে বাড়িতে আসে স্বাধীনের মৃত্যুর খবর। এই পরিবারের দুই সন্তানের মৃত্যু স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে সাকেয়া গ্রাম।
এরআগে শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলার মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে রাজশাহী-নওগাঁ অঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন-কেশরহাট পৌর এলাকার সাকেয়া এলাকার রফিজ উদ্দিনের ছেলে কাইযুম ইসলাম রাতুল (১৮), পৌর এলাকার সিংহমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে লিমন (২২)। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন নিহত রাতুলের বড় ভাই স্বাধীন (২২)। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই বাড়িতে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকার মানুষের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। ঘটনার পর রাত থেকে দূর-দূরান্ত থেকে তাদের নিকটতম আত্মীয়রা আসছেন। আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো। এই ঘটনায় নিহত রাতুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।












