মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বস প্রতি বছরই শীর্ষ আয় করা অ্যাথলেটদের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। এবারও করেছে। গত বছরের ১ মে থেকে এবারের ১ মে পর্যন্ত সময়কে ধর্তব্যে নিয়ে করা জরিপে শীর্ষ আয় করা অ্যাথলেট হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় নিয়ে আল নাসর তারকা টানা চতুর্থবারের মতো এবং মোট ষষ্ঠবারের মতো সর্বোচ্চ আয় করা অ্যাথলেটের তালিকায় জায়গা করে নিলেন। ১৭০ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে দুইয়ে বক্সার ক্যানেলো আলভারেজ। তিনে আছেন রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি, আর্জেন্টাইন তারকার নির্ধারিত সময়ে আয় ১৪০ মিলিয়ন ডলার। অন্য ফুটবলারদের মধ্যে করিম বেনজেমা ১০৪ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে ৮ নম্বর।
কর ও এজেন্ট ফি বাদে রোনালদোর আনুমানিক আয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি থেকে এসেছে প্রায় ২৩৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিজ্ঞাপন, উপস্থিতি, লাইসেন্সিং, স্মারকপণ্য ও অন্যান্য ব্যবসায়িক উদ্যোগ থেকে এসেছে আরও ৬৫ মিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের তুলনায় রোনালদোর আয় বেড়েছে ২৫ মিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে এ বছরের শীর্ষ ১০ অ্যাথলেটের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.৪ বিলিয়ন ডলার। এটি ২০২৫ সালের তুলনায় সামান্য বেশি এবং ২০১৬ সালের ৬৩৫ মিলিয়ন ডলারের দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৬ সালে রোনালদো প্রথম ৮৮ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে প্রথমবারের মতো তালিকার শীর্ষে উঠেছিলেন। এ বছরের শীর্ষ ১০-এর প্রত্যেকেই টানা তৃতীয় বছরের মতো কমপক্ষে ১০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।
এই শীর্ষ ১০ অ্যাথলেট মাঠের আয় তথা বেতন, বোনাস ও পুরস্কার থেকে মোট ৯০২ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন, যা ২০২৫ সালের ৯২০ মিলিয়নের তুলনায় ২% কম এবং ২০২৪ সালের রেকর্ড ৯৭৮ মিলিয়নের তুলনায় ৮% কম। তবে স্পনসরশিপ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক উদ্যোগ থেকে তারা আনুমানিক ৫১৩ মিলিয়ন ডলার আয় করে ঘাটতি পূরণ করেছেন, যা ২০২১ সালের ৫১২ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
মাঠের বাইরের আয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বেসবল তারকা শোহেই ওহতানি। তার আনুমানিক অফ-ফিল্ড আয় ১২৫ মিলিয়ন ডলার। ফোর্বসের গত ৩৬ বছরের হিসাব অনুযায়ী, সক্রিয় অ্যাথলেটদের মধ্যে শুধু এমএমএ তারকা কনর ম্যাকগ্রেগর ২০২১ সালে ১৫৮ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন, যার বেশিরভাগই এসেছিল আইরিশ হুইস্কি ব্র্যান্ড থেকে। ওতানির আয়ের বড় অংশ এসেছে বিভিন্ন লাভজনক পার্টনারশিপ থেকে।














