কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে একজন ও জিআর পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের বিভিন্ন টিম এসব অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে এসআই মো. শামীম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ৩নং চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া আদর্শ কলেজ গেটের সামনে ব্রাহ্মণপাড়া-মিরপুর সড়কে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মো. জালাল উদ্দিন (৪৩) পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তার ফেলে যাওয়া ১৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
এরপর সকাল ১১টায় এসআই মো. রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের গাউছিয়া পাওয়ার হাউসের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ মো. এনামুল হক প্রকাশ শানু (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, এসআই সুজন কুমার আচার্য্য, এসআই মো. মাহতাব হোসেন, এএসআই রতন কুমার মল্লিক ও এএসআই মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন—বাহারুল ইসলাম (২৪), হাসান (৩৮), হাসান (২০), লিমন হোসেন (২৩) ও আল আমিন (২১)। তাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অপরাধে সামারি ট্রায়ালের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে এসআই মো. রফিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে জিআর পরোয়ানাভুক্ত মো. হেলাল উদ্দিন (৪৫) এবং এএসআই মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে মো. বিল্লাল হোসেন (৩৭) নামে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেন।
এছাড়া ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং-১৬, তারিখ ১১ মে ২০২৬, জিআর নং-৯১/২৬, ধারা ৪৫৪/৩৮০ পেনাল কোডের পলাতক আসামি মো. রবিউল হাসান (১৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাকে সিঁধেল চোরচক্রের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেছে।
পুলিশ জানায়, পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামি জালাল উদ্দিনকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।












