চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ঝোপ থেকে উদ্ধার হওয়া ৯ এমএম পিস্তলটি বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবহৃত অস্ত্র বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে অস্ত্রটির গায়ে থাকা সিরিয়াল নম্বর মুছে ফেলায় এটি কোন ইউনিট বা থানা থেকে এসেছে, তা এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
পুলিশ সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি ব্রাজিলের টরাস কোম্পানির তৈরি। এই মডেলের ৯ এমএম পিস্তল বাংলাদেশ পুলিশ ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু অস্ত্রটির সিরিয়াল নম্বর ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলায় এর প্রকৃত উৎস শনাক্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অস্ত্রটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন থানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়ে যায়। পরে পুলিশের আহ্বানে কিছু অস্ত্র ফেরত এলেও এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশঙ্কা, উদ্ধার না হওয়া অস্ত্রের একটি অংশ বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুই দিন আগে একজনকে ধাওয়া করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি পিস্তলটি ফেলে গেছেন। অস্ত্রটি জব্দ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। একইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের সৈন্যারটেক পুল এলাকার চার রাস্তার মোড়সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তলটি উদ্ধার করে পুলিশ। অস্ত্রটির সঙ্গে কোনো ম্যাগাজিন পাওয়া যায়নি।












