কুমিল্লারবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমবে: তারেক রহমান

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুলাই ১১, ২০২৬ ৩:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাত ধরেই চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রতিদিনই মানুষের আনন্দ-বেদনার সঙ্গী হন। যারা চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত কিংবা চিকিৎসক হওয়ার জন্য অধ্যয়নরত, মানুষের কাছে আপনাদের পরিচয় সুস্থ জীবনের রক্ষক হিসেবে।’

ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমবে: তারেক রহমান

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের একটি অনুষ্ঠানে আমি বলেছিলাম, চিকিৎসকরাই সত্যিকার অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। রোগে-শোকে কাতর মানুষের পাশে তারাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠেন। একজন চিকিৎসকের পরামর্শ ও আন্তরিক আচরণও একজন রোগীর কাছে ওষুধের মতো কার্যকর হতে পারে। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলি অর্জনও একজন চিকিৎসকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও শক্তিশালী করতে পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পেশাজীবীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়। পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর বিকাশ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, হৃদরোগ ও ক্যানসারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আগাম স্বাস্থ্যপরামর্শ নিশ্চিত করা গেলে অনেক রোগ প্রাথমিক পর্যায়েই নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা সম্ভব।