কুমিল্লাবৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গত বছরগুলোতে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনা নজিরবিহীন : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Cumilla Press
এপ্রিল ৮, ২০২৬ ১১:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গত বছরগুলোতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। এই ভেঙে পড়া ব্যবস্থা মেরামতের চ্যালেঞ্জ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের বাজেট ৫ গুণ বাড়ানোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানান।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে সাইটসেভার্স ও পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান গিল্ডান অ্যাকটিভওয়্যার-এর যৌথ উদ্যোগে ‘কমপ্রিহেনসিভ আই কেয়ার সার্ভিসেস’ (CECS) প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছরগুলোতে স্বাস্থ্য খাতে যে পরিমাণ দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তা নজিরবিহীন। এই ভেঙে পড়া সিস্টেমকে জোড়া লাগানো এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে যে বাজেট বরাদ্দ হয়, সক্ষমতার অভাবে তার পুরোটা অনেক সময় খরচ করা সম্ভব হয় না। এই সক্ষমতা বাড়ানো এখন জরুরি।

অন্ধত্ব নিবারণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা এম এ মুহিত এই অনুষ্ঠানে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমি সারাজীবন ব্লাইন্ডনেস প্রিভেনশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আজ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এই আয়োজনে আসতে পারা আমার জন্য নতুন পরিচয়ে পুরনো আত্মীয়ের কাছে আসার মতো আনন্দ ও সমাদরের।

ঢাকার সাভার উপজেলার পাথালিয়া ও ধামসোনা ইউনিয়নের পোশাক শ্রমিক এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এই চক্ষুসেবা প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে।

গিল্ডান অ্যাকটিভওয়্যার-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের আওতায় চোখের স্ক্রিনিং, ছানি অপারেশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া স্কুলভিত্তিক চক্ষুস্বাস্থ্য কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হবে।

প্রতিবন্ধী শিশুদের মূলধারায় ফেরানোর আহ্বান

সাইটসেভার্স ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু আই কেয়ার নয়, আমাদের নজর দিতে হবে প্রতিবন্ধী শিশুদের ওপর। সাভারের ওই দুই ইউনিয়নে কয়েক হাজার প্রতিবন্ধী শিশু থাকতে পারে। দ্রুত শনাক্তকরণ (Early Detection) এবং সঠিক থেরাপি দিতে পারলে তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুদের খুঁজে পাওয়া সহজ- শুধু প্রয়োজন সঠিক উদ্যোগ ও ফিজিওথেরাপি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দৃষ্টি সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। আর এই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।