কুমিল্লাবুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানের ছয় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় বিমান হামলা

প্রতিবেদক
Cumilla Press
এপ্রিল ৪, ২০২৬ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইরানের খুজেস্তান প্রদেশজুড়ে অন্তত ছয়টি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন মতে, আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে মাহশাহর শহরের পূর্ব ও পশ্চিমে বিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার শিকার পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাগুলো ফজর ১, ফজর ২, রেজাল, আবু আলি, বন্দর এমাম ও আমির কবির।

এক বিবৃতিতে মাহশাহর পেট্রোকেমিক্যাল অঞ্চলের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, সব কর্মীকে কারখানা এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এরপরও কিছু কর্মী নিহত বা আহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জরুরি সেবাকর্মী, চিকিৎসাকর্মী এবং দমকল বাহিনী ঘটনার এলাকায় উপস্থিত রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, সেখান থেকে নির্গত কোনো ক্ষতিকারক পদার্থ বর্তমানে পার্শ্ববর্তী শহরগুলোর জন্য হুমকি নয়।

এদিকে ইসরাইলের ওপর ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রযেছে। আজ শনিবার চালানো সবশেষ হামলায় দেশটির দক্ষিণ নেগেভের একটি শিল্প এলাকায় আগুন লেগে যায় এবং মধ্য রোশ হাআইন ও পেতাহ তিকভার ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৯৪তম ধাপের হামলা চালানো হয়েছে। এই ধাপে তারা ইসরাইলের শিল্প ও সামরিক স্থাপনা, পাশাপাশি কমান্ডার ও সেনা ইউনিট অবস্থান করা জায়গাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ভোরের দিকে এই হামলা চালানো হয়। হামলাগুলো ইসরাইল অধিকৃত এলাকার দক্ষিণ, মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে, এমনকি তেল আবিব-সহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারি কঠিন ও তরল জ্বালানিচালিত অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে খোররামশাহর, খাইবার শেকান ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র, পাশাপাশি আত্মঘাতী ড্রোনও ছিল।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দিমোনা, নেগেভ, বিয়ার শেবা ও রামাত গানে-এ হামলা হয়েছে ‘গভীর ও ধারাবাহিক আঘাতের কৌশল’ অনুসরণ করে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ইসরাইলের ‘বহুস্তরীয় ও অত্যাধুনিক’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।

.