বাগেরহাটের মোংলা অয়েল ইনস্টলেশনে তেলের মজুত ও রেজিস্ট্রারের হিসাবে বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়েছে। অতিরিক্ত ১২ হাজার ৬১৩ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়ায় ডিপো ম্যানেজার আল আমিন খানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে যমুনা অয়েল কোম্পানি।
শনিবার দিবাগত রাতে জেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে তিনটি ট্যাংকে মজুত তেলের পরিমাপে এ অসঙ্গতি ধরা পড়ে। অভিযানের সময় ডিপো ম্যানেজার কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিপোর তিনটি প্রধান ট্যাংকের মজুত পরিমাপ করে রেজিস্ট্রারের তুলনায় অতিরিক্ত তেল পাওয়া যায়, যা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
যমুনা অয়েলের মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মো. মাসুদুল ইসলাম বলেন, তেলের হিসাব নির্ধারণে তাপমাত্রা ও ঘনত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে ডিপো ম্যানেজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত আল আমিন খান দাবি করেছেন, তাপমাত্রার তারতম্যের কারণেই মজুতের হিসাবে পার্থক্য দেখা গেছে। তার ভাষ্য, তাপমাত্রা ও ঘনত্ব বিবেচনায় নিলে হিসাবের গরমিল থাকত না। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় ব্যক্তিগত কারণে তিনি কর্মস্থলের বাইরে ছিলেন।
এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


.
কুমিল্লা প্রেস সংবাদ দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সাবস্ক্রাইব করে কুমিল্লা প্রেসের সাথেই থাকুন।












