শনিবার (১৪ মার্চ) ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, সম্প্রচারকদের অবশ্যই জনস্বার্থে কাজ করতে হবে, অন্যথায় তাদের লাইসেন্স হারাবে।
‘যারা ভুয়া খবর এবং সংবাদ বিকৃতি করছে, তাদের লাইসেন্স নবায়নের আগে তাদের পথ সংশোধন করার সুযোগ আছে।’ কার লিখেছেন।
এই সতর্কবার্তাটি ছিল কারের সর্বশেষ স্পষ্ট হুমকি, যিনি বারবার তার বক্তব্যের জন্য তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। কারণ মনে করা হয়, তার বক্তব্য সম্প্রচারকদের ট্রাম্পের অগ্রাধিকারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে চাপ দেয়।
উদাহরণস্বরূপ, গত বছর, ব্রেন্ডন কার চ্যানেল এবিসি এবং এর পরিবেশকদের প্রতি কৌতুকাভিনেতা জিমি কিমেলের বিরুদ্ধে ‘আচরণ পরিবর্তনের উপায় খুঁজে বের করার’, পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যার লেট-নাইট শো প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেছিল।
‘আমরা এটা সহজ বা কঠিন যেকোনো উপায়ে করতে পারি।’ কার একটি পডকাস্টে কিমেল সম্পর্কে বলেন। এই মন্তব্যের পর এবিসি কিমেলের অনুষ্ঠান সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
কারের সর্বশেষ বিবৃতি রাজনীতিবিদ এবং বাকস্বাধীনতার সমর্থকদের কাছ থেকে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে, যারা তার মন্তব্যকে সেন্সরশিপের সাথে তুলনা করেছে।
এদিকে, ‘এটি যুদ্ধের ইতিবাচক কভারেজ দেয়ার জন্য একটি স্পষ্ট নির্দেশ, অন্যথায় লাইসেন্স নবায়ন নাও হতে পারে।’ হাওয়াইয়ের সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ লিখেছেন।
তিনি বলেন, এটি কৌতুকাভিনেতাদের চেয়েও খারাপ, এখানে ঝুঁকি অনেক বেশি। তিনি লেট নাইট শো সম্পর্কে কথা বলছেন না, তিনি যুদ্ধ কীভাবে কভার করা হয় তা নিয়ে কথা বলছেন।
কারের সর্বশেষ বিবৃতিটি ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় এসেছে, যেখানে তিনি সৌদি আরবে ইরানি হামলায় মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানগুলোকে আঘাত করার খবর দেয়ার জন্য ‘ভুয়া সংবাদ মাধ্যম’ বলে অভিযোগ করেছেন।


.












