কুমিল্লাবৃহস্পতিবার, ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অতিরিক্ত উৎপাদনের অভিযোগে বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন বাণিজ্য তদন্ত

প্রতিবেদক
Cumilla Press
মার্চ ১২, ২০২৬ ১২:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদনের অভিযোগে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে United States। এই তালিকায় BangladeshIndia, **China**সহ আরও কয়েকটি বড় বাণিজ্য অংশীদার দেশ রয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) Office of the United States Trade Representative (ইউএসটিআর)–এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত মাসে Supreme Court of the United States মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর শুল্কনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার পর এই নতুন তদন্ত শুরু হলো।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি Jamieson Greer বলেন, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের Section 301 of the Trade Act of 1974–এর আওতায় এই তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। তদন্তে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার প্রমাণ পাওয়া গেলে ChinaEuropean UnionIndiaJapanSouth Korea ও Mexico–সহ কয়েকটি দেশের ওপর চলতি গ্রীষ্মের মধ্যেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না যেখানে অন্য দেশগুলো তাদের অতিরিক্ত উৎপাদনের চাপ রপ্তানির মাধ্যমে মার্কিন বাজারে স্থানান্তর করে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতার একটি বড় অংশ হারিয়েছে অথবা বিদেশি প্রতিযোগীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল আবার দেশে ফিরিয়ে আনা এবং উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এ বিষয়ে মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া আগামী ১৭ মার্চ শুরু হবে এবং আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ৫ মে থেকে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ধারা ৩০১ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন অন্যায্য বিদেশি বাণিজ্যনীতি বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই আইনের আওতায় বৈষম্যমূলক বা অযৌক্তিক নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে পারে।

.