মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে রাশিয়া। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মস্কো এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক ফোনালাপে রুশ নেতারা জানিয়েছেন যে তারা ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান করেননি। আপাতত যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার এই বক্তব্যকেই বিশ্বাস করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মস্কো নাকি তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করেছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই রাশিয়ার এই ব্যাখ্যা সামনে এলো।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সমর্থনের কথাও জানান।
অন্যদিকে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, বিশেষ করে ভারতের কাছে রাশিয়ার তেল বিক্রির ক্ষেত্রে এই শিথিলতা কার্যকর হবে, যাতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটে। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত সাময়িক এবং এতে রাশিয়ার বড় ধরনের আর্থিক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে ঘিরে রাশিয়ার সম্ভাব্য সহযোগিতা বা সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা।


.












