ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার চার দিন পার হলেও Mojtaba Khamenei এখনো জনসমক্ষে আসেননি। তাকে কোথাও দেখা না যাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা ও অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে, চলমান যুদ্ধের মধ্যে তিনি আহত হয়ে থাকতে পারেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রেক্ষাপটে চলমান ‘রমজান যুদ্ধ’-এ মুজতবা খামেনি শত্রুপক্ষের আঘাতে আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে উপস্থাপকরা নতুন সর্বোচ্চ নেতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তাকে ‘রমজানের জানবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তিনি এখনো কোনো জনসভায় উপস্থিত হননি কিংবা জাতির উদ্দেশ্যে সরাসরি বা ভিডিও ভাষণ দেননি। ফলে তার অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।
তবে জনসমক্ষে না এলেও তাকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করার পর ইরানের ভেতরে এবং মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার Tehran–এ নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য জানাতে সমাবেশও করেন অনেক ইরানি নাগরিক। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই এই সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
এর আগে নিহত সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei–এর মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন নেতৃত্ব নিয়েও কঠোর হুমকি দেয়। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার অনুমোদন থাকা উচিত।
এদিকে একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলী খামেনির হত্যার পর নতুন সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। Fox News–এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কালো পোশাক পরা একটি সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিটকে মুজতবা খামেনির নিরাপত্তায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি Iran–এ United States ও Israel–এর যৌথ হামলায় আলী খামেনি নিহত হন। এরপর তার দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ পুত্র মুজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী; পাশাপাশি Russia ও North Korea নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছে।


.











