ইসরাইলের সামরিক নীতির প্রকাশ্য সমর্থক হিসেবে পরিচিত এক মার্কিন জেনারেলকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ায় সৌদি আরবকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান–এর নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মাইকেল কুরিল্লাকে ‘বাদশাহ আব্দুল আজিজ মেডেল’ প্রদান করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান তাঁর হাতে এ পদক তুলে দেন।
২০২২ সালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বিভিন্ন সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুরিল্লা। সমালোচকদের অভিযোগ, তাঁর কমান্ডের সময় একাধিক অভিযানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাঁর অবস্থান ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। তিনি প্রকাশ্যে ইসরাইলের নিরাপত্তা অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং গাজা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।
মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া এক বক্তব্যে কুরিল্লা বলেন, গাজায় পরিস্থিতি যাই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হামাসকে নির্মূল করা। একইসঙ্গে সিরিয়ার আল-হোল শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে তিনি এটিকে ‘টাইম বোমা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য শিবিরে অবস্থানরত শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা দেয়।
এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের অন্যতম সর্বোচ্চ সামরিক ও বেসামরিক সম্মাননা প্রদানকে অনেকেই রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার সময় এমন পদক্ষেপ রিয়াদের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও কুরিল্লা বিদেশি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছেন। গত বছর পাকিস্তান সরকার তাঁকে ‘নিশান-ই-ইমতিয়াজ’ সামরিক সম্মাননায় ভূষিত করে।












