কুমিল্লাশুক্রবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এনআইডি সংশোধনে নতুন নিয়ম : সব আবেদন যাবে ডিজির কাছে

প্রতিবেদক
Cumilla Press
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন জারি করা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর  অনুযায়ী, জন্ম তারিখসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনের সব আবেদন এখন থেকে মাঠ পর্যায়ের পরিবর্তে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আদেশে ইসি জানায়, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর নতুন এসওটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জন্ম তারিখ বা জন্ম তারিখসহ অন্য যেকোনো তথ্য সংশোধনের আবেদনগুলো ‘ঘ’ ক্যাটাগরি হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা (আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) এসব আবেদন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (ক, খ বা গ) নিষ্পত্তি করতেন।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন জারির আগে মাঠ পর্যায়ে যে আবেদনগুলো জমা পড়েছিল এবং যেগুলোর ক্যাটাগরি আগে নির্ধারিত ছিল, সেগুলো এখন পরিবর্তন করে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করতে হবে। এনআইডি উইংয়ের অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নথিপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে মহাপরিচালক পর্যায়ে এগুলো নিষ্পত্তি করবেন।

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ইসি তিনটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। সেগুলো হলো- ১. জন্ম তারিখ সংক্রান্ত যে আবেদনগুলো আগে ‘ক-১’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিল, সেগুলোর তালিকা তৈরি করে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে। ২. প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যে এসব আবেদনের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করবেন। ৩. আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সংশোধন কার্যক্রম সীমিত থাকায়, বর্তমানে জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসি আরও জানায়, কেন্দ্রীয়ভাবে ক্যাটাগরি নির্ধারণ এবং ডিজি পর্যায়ে নিষ্পত্তির ফলে এনআইডি সংশোধনে স্বচ্ছতা আসবে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে সব ফাইল প্রধান কার্যালয়ে আসায় কাজের চাপ বাড়বে কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিক সেবা সচল রাখতেই এই দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।