কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম
নিহতরা হলেন—মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৪০), তাদের ছেলে হোসাইন (৪) এবং জহিরুল ইসলামের ভাই সৌদি প্রবাসী সাত্তারের ছেলে জোবায়ের (৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় সাত্তারের ছেলে জোবায়ের পাশের বাড়ি থেকে সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ছেলে হোসাইনের সাথে খেলতে আসে। খেলার এক পর্যায়ে জোবায়ের ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে পাপিয়া আক্তার সুখী তার ছেলে হোসাইনকে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের যেকোনো সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে তাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। একই সময়ে পাশের ঘরে থাকা শিশু জোবায়েরকেও হত্যা করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার পর তিনকক্ষে তিনজনের মরদেহ ঘরের মেঝেতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা ঘরে গিয়ে তাদের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় করেন এলাকাবাসী। স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত পাপিয়া আক্তার সুখীর বোন সেলিনা আক্তার বলেন, আমার বোন ও ভাগনেকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা? (তদন্ত) দীনেশ দাস গুপ্ত জানান, ঘটনাটি সম্ভবত কাল রাত ১০ টার নাগাদ ঘটেছে ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।












