জহিরুল ইসলাম আজিম
কুমিল্লা–৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটের চিত্র বলছে, লড়াই ছিল মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যে। মোট ৫ লাখ ৭২৬ জন ভোটারের এই আসনে ১৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৯টির ফল প্রকাশ হয়েছে।
সর্বমোট ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার ভোট দেন। এর মধ্যে বৈধ ভোট ২ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৭টি এবং বাতিল ভোট ৯ হাজার ১৬৮টি। ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ ইউসুফ সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। দুই প্রার্থীর ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৬৯২ ভোট।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমেদ আবদুল কাইয়ুম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৩ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৩৩ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোঃ খোরশেদ আলম ডাব প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭১৭ ভোট। আমজনতার দলের চৌধুরী রফিকুল হক প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোঃ শরিফ উদ্দিন সরকার আপেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬৭ ভোট। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএম এর রিয়াজ মোঃ শরিফ সিংহ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৫২ ভোট এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোঃ এমদাদুল হক হাতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১১ ভোট।
সংখ্যার হিসাব বলছে, মোট বৈধ ভোটের বড় অংশই গেছে শীর্ষ দুই প্রার্থীর ঝুলিতে। ফলে মুরাদনগরে এবারের নির্বাচন কার্যত দুই শক্তির সরাসরি মুখোমুখি লড়াই হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে












