চট্টগ্রামের রাউজানে অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত যুবদলকর্মী মুহাম্মদ আলমগীর আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ওরফে রিয়াদ (২৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঘটনার তিন মাস ১০ দিন পর নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়
মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ওরফে রিয়াদ রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব রাউজান গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে। তিনি নিহত যুবদলকর্মী আলমগীর আলমের নিকটাত্মীয় ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত রিয়াদকে দীর্ঘ চিকিৎসার পর কয়েক দিন আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর বাড়িতে রেখে এবং হাসপাতালে আসা-যাওয়ার মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলছিল। তবে, আজ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শেষপর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার দিকে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রাউজানের চারাবটতল বাজার-সংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে একদল অস্ত্রধারী আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করে। ওই সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা রিয়াদ পিঠে একাধিক গুলিবিদ্ধ হন। সেই থেকে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, আলমগীর আলম হত্যাকাণ্ডের সময় তার আত্মীয় সাইফুদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তিন মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ তিনি মারা গেছেন। তার পিঠে একাধিক গুলি লেগেছিল। এই ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।












