কুমিল্লায় মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাসের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মেঘনা নাগরিক সমাজ। বুধবার দুপুরে মেঘনা উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে মেঘনা নাগরিক সমাজ।
বুধবার দুপুর নাগাদ মেঘনা উপজেলার নাগরিক সমাজের উদ্যোগে কয়েকশ মানুষ উপজেলা পরিষদের সামনে জড়ো হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাসের অপসারণের দাবিতে। এই সময় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের এজেন্ট, আওয়ামীলীগের নেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা, ভারতের রয়ের এজেন্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রেনু দাসকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে হবে লিখা ব্যানার নিয়ে দাঁড়ায় মানববন্ধনকারীরা।
এই সময় মানববন্ধনকারীরা বলেন, মেঘনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাস একজন আওয়ামীলীগের এজেন্ট। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রশ্রয়দাতা। ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর আমরা উপজেলা পরিষদ ও রেনু দাসকে পাহারা দিয়ে রেখেছি। তার উপর যাতে কেউ হামলা করতে না পারে, তার নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি। কিন্তু সে এখনো আওয়ামীলিগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে। এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এখনো আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে মিটিং করে। এইছাড়া এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এখনো গোপনে আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন।
এই ছাড়া প্রধান সড়ক মেরামত করা, জন সাধারণের সেবা নিশ্চিত করা, রাস্তা মেরামতের জন্য উপকরণ সামগ্রী না দেয়ার অভিযোগ উঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। মানববন্ধনে নাগরিক সমাজ ও মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল অদুদ মুন্সী, সাবেক সভাপতি কুসুম ভূঁইয়া, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মতিন, বিএনপি মহিলা দলের সভাপতি মিলি আক্তার সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
অভিযোগের বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাস বলেন, তারা কেন এমন অভিযোগ করছে সেইটা আমি জানি না। তাদের যে অভিযোগ আমি আওয়ামীলীগের এজেন্ট, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা, বা ভারতের রয়ের এজেন্ট, এই বিষয়ে আমি কিছু বলবো না। সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আছে, সাংবাদিকরা আছে আপনারাই আমার বিরুদ্ধে যেই অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করে দেখবেন। আর রাস্তা মেরামতের উপকরণ বিষয়ে যেই অভিযোগ তুলেছে সেইটা মিথ্যা। আমার কাছে এমন বিষয় নিয়ে কেউ সরাসরি কখনও আসে নাই এবং কেউ কখনোও মুঠোফোনেও যোগাযোগ করে নাই।












