কুমিল্লাবৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৪,৪৩২ টাকা

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুন ১১, ২০২৬ ২:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকায়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা।

এর আগে গত ১০ জুন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে সময় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা।

চলতি বছরে এ নিয়ে ৭৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩৭ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৩৬ বার কমেছে।

সংগঠনটির তথ্যমতে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হলেও ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরিতে ৫৮ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার দাম ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৪৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২২ বার কমেছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১০ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ৩ বার।