কুমিল্লাসোমবার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাসিনার পতনের সময় ঋণ ছিল ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি, বর্তমানের ২৪ লাখ কোটি টাকা

প্রতিবেদক
Cumilla Press
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ৯:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ সরকারের দেশি-বিদেশি ঋণ প্রথমবারের মতো প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা ছুঁয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক পরিচালনা ও উন্নয়ন কর্মসূচির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট দেশি ও বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা এবং দেশি ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা।

ইআরডির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪.৩৪ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের শেষে বৈদেশিক ঋণ ছিল ৬৮.৮২ বিলিয়ন ডলার। গত পাঁচ বছরে এই ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ; ২০২০-২১ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৫০.৮৮ বিলিয়ন ডলার। এদিকে দেশি ঋণও বেড়েছে। গত অর্থবছরের ১০.৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে বেড়ে এটি বর্তমানে ১১.৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে।

২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭.২২ ট্রিলিয়ন টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের ঋণ ব্যবস্থাপনায় আরো শৃঙ্খলাবদ্ধতা, প্রকল্প যাচাই ও বাস্তবায়ন দক্ষতা বৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণে ত্বরান্বিত ব্যবস্থা এবং রপ্তানি আয় সম্প্রসারণে মনোযোগ না দিলে দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ টেকসই রাখা কঠিন হবে।

এর আগের খবরে জানা যায়, ১৫ বছরে আওয়ামী সরকার ঋণ করেছে সাড়ে ১৫ লাখ কোটি টাকার বেশি- অর্থ বিষয়ক পত্রিকা বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার সরকারি ঋণ রেখে দেশ থেকে পালিয়েছেন সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।