কিন্তু গত আগস্ট, অক্টোবর ও ডিসেম্বরের খুনের শুধু রহস্য উন্মোচনই নয়, উদঘাটন করতে পারেনি লাশগুলোর পরিচয়ও। তবে এবার সেই রহস্যেরই দরজা খুলছে। একইসঙ্গে আশঙ্কা করা হচ্ছে এক সিরিয়াল কিলিংয়ের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে গিয়ে সাভারের সেই পরিত্যক্ত ভবনে দুটি পোড়া লাশ দেখতে পায় শিক্ষার্থীরা। এরপর পুলিশকে খবর দিলে সাভার মডেল থানার কর্মকর্তারা যান ঘটনাস্থলে।
দিন পেরিয়ে রাত, ঘটনার তদন্তে বিভোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সঙ্গে যোগ দিয়েছে ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশও। কমিউনিটি সেন্টারটির আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায় এক ভয়াবহ দৃশ্য।
ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি কাঁধে করে একটি লাশ নিয়ে যাচ্ছে ভবনটির পাশ দিয়ে। ফুটেজে যে ব্যক্তিকে দেখা গেছে সেই ব্যক্তিকে চেনে সাভারের অনেকেই।
স্থানীয়রা জানান, এই ব্যক্তি সাভার থানার আশপাশ ও পৌর কমিটির সেন্টারের সামনে পাগল বেশে ঘুরে বেড়াতেন
ফুটেজ বিশ্লেষণে সনাক্ত হওয়া সেই ভবঘুরেকে হেফাজতে নিয়েছে ডিবি। বিস্তারিত পরিচয় জানা না গেলেও তার নাম হলো মশিউর রহমান খান সম্রাট। এই সম্রাট ‘সাইকো সম্রাট’ পরিচিত। আবার ‘মেন্টাল’ বলেও পরিচিত বলে জানায় পুলিশ।
ঢাকা জেলা উত্তরে গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ সাইদুর ইসলাম জানান, পরিত্যক্ত সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে দুই পোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সম্রাটকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট রাতে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে ওই নিহত যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ












