কুমিল্লাবুধবার, ১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিন্ডিকেট ভাঙতে কৃষিবাজার তৈরি করবে সরকার: উপদেষ্টা আসিফ

প্রতিবেদক
Cumilla Press
অক্টোবর ২৪, ২০২৪ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!


ডেস্ক রিপোর্ট:

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, কৃষকের পণ্য সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এবং সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার কৃষিবাজার তৈরির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ঢাকা শহরের ৫০টি স্থানে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে ভর্তুকি মূল্যে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আসিফ মাহমুদ বলেন, বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে দেশের বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চলছে। সিন্ডিকেট ও ফরিয়াদের মজুত এবং কারসাজির কারণে বাজারে দ্রব্যমূল্য ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে। এ বিষয়টিতে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

তিনি জানান, কৃষক থেকে গ্রাহক পর্যায়ে পণ্য পৌঁছানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সরকার এ কাজে সহযোগিতা করবে। বিকল্প কৃষিবাজার চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে কৃষক সরাসরি পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাজ শুরু করেছে বলেও জানান শ্রম উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমকে আরও প্রসারিত করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। এতে সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে। সরকার দীর্ঘমেয়াদে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে শুল্ক কমানো হয়েছে, যার সুফল বাজারে দেখা যাচ্ছে।

মধ্যস্বত্বভোগী ও ফড়িয়ারা যেন বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে এবং প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কার্ডধারীদের পাশাপাশি এখন থেকে টিসিবির নির্ধারিত পয়েন্টে ট্রাকের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পণ্য কিনতে পারবেন ভোক্তারা।

ঢাকা মহানগরে ৫০টি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২০টি ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির তেল, ডাল ও খাদ্য অধিদফতরের সরবরাহ করা চাল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই কার্যক্রম ২৪ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে না এলে পরবর্তীতে কার্যক্রম বাড়ানো হতে পারে।

এ কার্যক্রমের আওতায় সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি মসুর ডাল ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন উপকারভোগীরা। প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম হবে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ৬০ টাকা এবং চালের দাম ৩০ টাকা।