জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয়।
মোট ১২৮ কেন্দ্রের মধ্যে এ পর্যন্ত ১১১টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৬ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৫৬৩ ভোট। এর মধ্যে কাচি মার্কা মিজানুর রহমান ৪০৩ ভোট।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছ থেকে জানা গেছে, পোস্টাল ব্যালট ছাড়া এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫০ দশমিক ৫২ শতাংশ। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ধাপে ধাপে ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা করা হচ্ছে।পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার ঘটেনি।
আরও জানা গেছে, এ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, দুজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর আটটি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।
সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য ১২৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।


.












