ডেস্ক রিপোর্ট:
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির অহংকার ও বিশ্বাসের প্রতীক। আধুনিক এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আভিযানিক দক্ষতা অর্জন করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাসদস্যদের সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আভিযানিক দক্ষতা, সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্ব অর্জনে সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণ হতে হবে বাস্তবসম্মত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
রোববার (৫ জানুয়ারি) রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ব্রিগেড গ্রুপের ম্যানুভার অনুশীলন পরিদর্শন শেষে সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এর আগে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে রাজবাড়ী সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকার চর খাপুড়ায় হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুশীলনস্থলে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং যশোর এরিয়া মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলাম।
পরে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ম্যানুভার অনুশীলনে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা বাস্তবসম্মত যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করে আক্রমণ অনুশীলন সফলভাবে সম্পন্ন করেন।
অনুশীলনে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক ট্যাংক, এপিসি, গোলন্দাজ বাহিনীর কামান, পদাতিক, ইঞ্জিনিয়ার্স এবং কমান্ডো সহ অন্যান্য আর্মস এবং সার্ভিসেস অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি, বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান, আর্মি এভিয়েশনের বিমান এবং হেলিকপ্টারও মহড়ায় অংশ নেয়।
অনুশীলনে অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের দক্ষতা এবং উচ্চমানের প্রশিক্ষণের প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা।












