কুমিল্লামঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাগরপথে ঢুকলেই বহিষ্কার, অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করছে ইতালি

প্রতিবেদক
Cumilla Press
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করতে খসড়া আইন অনুমোদন ইতালির ডানপন্থি সরকারের। এর মধ্যে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকা আটকাতে অস্থায়ী নৌ-অবরোধসহ বেশ কিছু নিয়ম অর্ন্তভুক্ত রয়েছে।

ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ৭৫৯ জন বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছে।

ভূমধ্যসাগর দিয়ে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রবেশ ঠেকাতে এবার ইতালির কট্টর ডানপন্থি জর্জিয়া মেলোনি সরকার কঠোর আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে আইনে বলা হয়েছে, ভূমধ্যসাগরে উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে অবরোধ, দেশটির জলসীমায় প্রবেশ করতে না দেয়া এবং ৫০ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সাগরপথে যে সকল অভিবাসী ইতালিতে প্রবেশ করবে তাদেরকে দ্রুত বহিষ্কার এবং তৃতীয় কোন দেশে পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে। আইনটি সংসদে নিম্ন কক্ষ এবং সিনেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা-আইওএম জানিয়েছে, চলতি বছর শুধু জানুয়ারিতেই ৩৭৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু বা নিখোজেঁর খবর পাওয়া গেছে। আর ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫২৪ জনে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আরও শত শত মৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়নি বলে তাদের ধারণা। ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগরে ১৩০০ জনেরও বেশি অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছিল।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক বাংলাদেশিও। ইতালিতে বৈধভাবে শ্রমিক নেয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকার পরেও বহু বাংলাদেশি বিপদজনক এই পথ পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশ করছেন।

ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ৭৫৯ জন বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছে। লিবিয়া থেকে ছেড়ে আসা নৌকা ডুবে বাংলাদেশিসহ অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এই পথ পরিহারে আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

তারা বলছেন, লিবিয়া হয়ে সমুদ্র পথে যারাই আসছেন, তাদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করছে। তাদের অনেকেই বাংলাদেশি। জীবনকে উন্নত করার আশায় এতদূরে মানুষ পাড়ি দিচ্ছেন, সেই জীবনই যদি না থাকে তাহলে এভাবে আসার কোনো মানে হয় না। ফলে এ ধরনের পরিবেশে ইতালিতে আসা পরিহার করাই ভালো।