রাজশাহীতে সম্পদ গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন এজাহার দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- গোদাগাড়ী সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালামের স্ত্রী শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মাত্র ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছিলেন। তবে দুদকের দীর্ঘ অনুসন্ধানে তার নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হদিস পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, তিনি অন্তত ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, শাহানা পারভীনের বৈধ আয়ের পরিমাণ মাত্র ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। অথচ তার পারিবারিক ব্যয়সহ মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে তাঁর প্রায় ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে।
এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি সরকারি পদের অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলতে সরাসরি সহায়তা করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, মামলাটি ঠিক নেই। আমাদের বৈধ্য ট্যাক্স দেওয়ার আছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।












