রাজধানীর এক স্কুলে প্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষকের হাতে এক শিশুর মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আনুমানিক ৩-৪ বছর বয়সী এক শিশু স্কুল ইউনিফর্মে পোশাকধারী অবস্থায় টানা-হেঁচড়া করে কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভিডিওতে গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষক স্ট্যাপলার হাতে শিশুর মুখের দিকে হুমকি দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।
পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।
অ্যাডভোকেট সালেহ উদ্দিন চ্যানেল 24 কে জানিয়েছেন, তিনি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সবাইকে ভুক্তভোগী শিশুর পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শিশু আদালতে মামলা করার কথা জানান তিনি।
রাজধানীর স্কুলে শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, যা জানা গেল
রাজধানীর এক স্কুলে প্রাপ্তবয়স্ক দুই শিক্ষকের হাতে এক শিশুর মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আনুমানিক ৩-৪ বছর বয়সী এক শিশু স্কুল ইউনিফর্মে পোশাকধারী অবস্থায় টানা-হেঁচড়া করে কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভিডিওতে গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষক স্ট্যাপলার হাতে শিশুর মুখের দিকে হুমকি দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।
পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ঘটনাটি শাস্তির নামে নিষ্ঠুরতার অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।
অ্যাডভোকেট সালেহ উদ্দিন চ্যানেল 24 কে জানিয়েছেন, তিনি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সবাইকে ভুক্তভোগী শিশুর পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শিশু আদালতে মামলা করার কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: শাহজালালে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল বিমান বাংলাদেশ
সংশ্লিষ্টরা জানান, শাস্তির নামে এ ধরনের সহিংস আচরণ শুধু শিশুদের শারীরিক ক্ষতিই করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তারা এটিকে শিশুদের জীবনের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজের কোনো স্তরেই শারীরিক শাস্তির বৈধতা নেই।
অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পথের স্কুলের সংগঠক ও শিশু অধিকারকর্মী উম্মে সালমা আক্তার ঊর্মি জানান, একজন শিশু আমাদের ওপর নির্ভর করে। তাদের ভুলের জন্য আমরা তাদের শাস্তি দিতে পারিনা। এতে মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনও শিশুকেই এই ধরনের নির্যাতনের মুখে নিয়ে যাওয়া যাবেনা। যারা এই ধরনের কাজ করে তাদের সর্বপ্রথম কাউন্সিলিং করাতে হবে। কারণ তারা হয়তো বোঝেই না এটা কতবড় অন্যায়। আর কাউন্সিলিংয়ে কাজ না হলে আইনের যথার্থ প্রয়োগ করতে হবে।
বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন রোধে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা পারিবারিক বা সামাজিক ‘শৃঙ্খলা রক্ষার’ অজুহাতে ধামাচাপা পড়ে যায়।












