দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ-সহিংসতা দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান সরকার। ইন্টারনেট বন্ধের কারণে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন দেশটি। তীব্র বিক্ষোভের মধ্যেই মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও সতর্ক দেশটি। রোববার (১১ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তার পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। খবর রয়টার্সের।
বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষার অজুহাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার হুমকি দিলে, এর জবাবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ারও হুমকি দিয়েছে। এমনকি সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
রোববার সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের বলেছেন, স্পষ্ট করে বলছি—ইরানের ওপর হামলা হলে দখলকৃত ভূখণ্ড (ইসরায়েল) এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্য হবে।
এদিকে, ইরানে চলমান অস্থিরতা নিয়ে বেশ সরব যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর, বিক্ষোভ ইস্যুতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া পোস্টে ইরানি বিক্ষোভকারীদের সহায়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, সামরিক অভিযান চালানোর প্রাথমিক আলোচনাও করেছেন তিনি।
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে, বিভিন্ন গণমাধ্যম দাবি করছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রাণ গেছে কমপক্ষে দুই হাজার আন্দোলনকারীর। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে হতাহতদের ভিড়।












