পুনর্লিখিত সংবাদ (জাতীয় পত্রিকার ধাঁচে):
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের চাপ বাড়ছে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কগুলোতে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোর থেকে Bangabandhu Jamuna Bridge পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের ব্যাপক চাপ থাকলেও কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজটের সৃষ্টি হয়নি। ফলে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা তুলনামূলক স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়লেও সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। এবার যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পুলিশ। পুরো মহাসড়ক ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে জেলা পুলিশের প্রায় ১ হাজার ২০০ সদস্য কাজ করছেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৬৫০ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং তিনটি বিশেষ মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ সমন্বিতভাবে মহাসড়কের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে। কোনো যানবাহন বিকল হলে বা জ্বালানি সংকট দেখা দিলে দ্রুত সহায়তার জন্য আলাদা টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সোমবার যেখানে প্রায় ৩৫ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে, মঙ্গলবার সেই সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে যানজটমুক্ত যাত্রার স্বস্তির মাঝেও যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে। অনেক যাত্রী জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে পরিবহনগুলো স্বাভাবিক ভাড়ার প্রায় দ্বিগুণ আদায় করছে। সাধারণ সময়ে ৩৫০ টাকার ভাড়া বর্তমানে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
ফলে সড়কে স্বস্তি থাকলেও বাড়তি ভাড়ার চাপ যাত্রীদের ঈদযাত্রার আনন্দে কিছুটা বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।


.











