মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বিশেষ করে কাতারে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কথা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এছাড়া কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে পারমাণবিক আলোচনা চলাকালে ইরানে হামলা চালানোর ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি অভিযোগ করেন, আলোচনার টেবিলে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার পরিবর্তে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপ কূটনীতির পরিপন্থী।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেহেও দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষে কোনও বক্তব্য বা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।
অন্যদিকে লেবাননভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। গোষ্ঠীটির দাবি, ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত Israel Aerospace Industries-এর সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর ইসরায়েলের একটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
সংঘাতের বিস্তৃতি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।












