কুমিল্লামঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বডি শেমিংয়ের কারণে দীর্ঘদিন হতাশায় ছিলেন দীঘি

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জানুয়ারি ৮, ২০২৫ ১:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!


ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল দীঘি শোবিজ অঙ্গনে কাজ করার সময় নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন, যা তার ভক্তদের মাঝে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীঘি তার খারাপ সময়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

বডি শেমিংয়ের শিকার হওয়া একজন ব্যক্তি অনেক সময় ট্রমাটাইজড বা ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে পড়তে পারে, তবে মানুষ এসব বিষয় গুরুত্ব না দিয়েই বডি শেমিং করে ফেলে। এ বিষয়ে দীঘি বলেন, “যে ব্যক্তি অন্য একজনকে বডি শেমিং করছে, সে আসলে কখনো ভাবেই না যে, ওই ব্যক্তির বডি শেমিংয়ের প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তার মানসিক অবস্থা কেমন, কিংবা সে এই পরিস্থিতি কীভাবে গ্রহণ করছে। হয়তো সে ট্রমাটাইজড, ফ্রাস্ট্রেটেড।”

দীঘি আরও বলেন, “এক সময় আমি অনেক হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। কারণ, আমি নিয়মিত শুনতাম, এতে একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতো। এক সময় আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি, ডায়েট করতে পারছিলাম না, জিমও করতে পারছিলাম না, ফলে আবার মোটা হয়ে যাই। যখন ঠিক করি, আমাকে শুকাতে হবে, তখনই করোনার প্রকোপ শুরু হয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সুস্থ হতে আমাকে অনেক শক্তিশালী ওষুধ দেওয়া হয়, যার মধ্যে স্টেরয়েড ছিল। সেই ওষুধের কারণে শরীর ফুলে গিয়েছিল, এমনকি আমি নিজে মনে করেছিলাম যেন কিছু হয়ে গেছি। আমার বডি ভারি হয়ে গিয়েছিল এবং দুর্বলও হয়ে পড়েছিলাম। আমি যে একটু কম খেয়ে থাকতে পারব, সেটা সম্ভব হচ্ছিল না, এবং তখন আমি প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। স্টেরয়েডের কারণে কিছুতেই শুকানো যাচ্ছিল না। প্রায় এক বছর আমাকে এই কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল, শুকানোর জন্য প্রচুর সংগ্রাম করতে হয়েছিল। তখন আমি মনে করেছিলাম, হয়তো আমি আর পারব না।”