যদি প্রয়োজন হয়’ তবে ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই হামলার বিষয়ে জনমতের অসন্তোষ বা জরিপ তাকে প্রভাবিত করতে পারছে না।
স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘অন্যান্য প্রেসিডেন্টরা যেমন সবসময় বলেন যে মাঠে কোনো সেনা নামানো হবে না —আমার সে ধরণের কোনো দ্বিধা বা জড়তা নেই। আমি এমন কথা বলি না। আমি বলি—হয়তো তাদের প্রয়োজন হবে না, অথবা যদি প্রয়োজন হয় (তবে পাঠানো হবে)।
গত সপ্তাহান্তে রয়টার্স/ইপসোস-এর একটি জরিপে দেখা গেছে, ৪৩% আমেরিকান ইরানে হামলার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে ট্রাম্প এ নিয়ে কোনো উদ্বেগ দেখাননি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে ‘সঠিক কাজটিই করতে হবে’।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘জরিপের ফলাফল নেতিবাচক বলে আমি মনে করি না। আসলে জরিপ ভালো কি মন্দ সেটা কোনো প্রশ্নই নয়। আপনি ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পেতে দিতে পারেন না, কারণ এই দেশটি কিছু উন্মাদ মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।’
ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানে মানুষ ‘খুবই মুগ্ধ’ হয়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় এটি একটি নীরব সমর্থন—যদি আপনি প্রকৃত বা নিভৃত কোনো জরিপ করেন, তবে দেখবেন এটি একটি ‘সাইলেন্ট মেজরিটি’ বা নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন।’
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও ভবিষ্যতে ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করেননি।
আজ মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ওয়াশিংটন যতটুকু প্রয়োজন ততদূর পর্যন্ত যাবে।মার্কিন লক্ষ্য অর্জনে তারা কী পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা শত্রুপক্ষকে জানিয়ে দেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।












