ডেস্ক রিপোর্ট:
ম্যানচেস্টার সিটি বনাম পিএসজির ম্যাচকে কোচ পেপ গার্দিওলা আগেই আখ্যা দিয়েছিলেন ‘ফাইনাল’ হিসেবে। তবে সেই ফাইনালে পিএসজির কাছে বড় ধাক্কা খেল তার দল। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ম্যাচটি তারা হারল ৪-২ ব্যবধানে। দ্বিতীয়ার্ধে পিএসজি রচনা করল এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প, যা তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফের পথ মসৃণ করেছে। বিপরীতে, সিটি মুখোমুখি হলো বিদায়ের শঙ্কার।
এ ম্যাচের বাড়তি রোমাঞ্চ ছিল দুই কোচের পুনর্মিলনেও। বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ গার্দিওলা ও লুইস এনরিক এক দশক পর ডাগআউটে একে অপরের মুখোমুখি। গতবারের মতোই শেষ হাসি হাসলেন এনরিকে।
প্রথমার্ধে পিএসজি দারুণ আধিপত্য দেখালেও গোল পায়নি। আশরাফ হাকিমির একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্র পাল্টে দেয় সিটি। বদলি নামা জ্যাক গ্রিলিশ ৫৩ মিনিটে গোল করলে তাদের জয় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। আর্লিং হালান্ডের গোল ২-০ ব্যবধান এনে দেয়।
কিন্তু চলতি মৌসুমে সিটির খেলা দেখে অনুমান করা যাচ্ছিল, লিড খোয়ানোর সম্ভাবনা প্রবল। ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে ২-২ ড্র করার তিক্ত অভিজ্ঞতা সঙ্গী হয়েছিল এক সপ্তাহ আগেই।
পিএসজির জবাব আসে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই। উসমান দেম্বেলে ৫৬ মিনিটে ব্যবধান কমান। এরপর ব্র্যাডলি বারকোলার গোলে ৬০ মিনিটে সমতায় ফেরে পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই চারটি গোল হয়ে যায়, যা ম্যাচে রোমাঞ্চ আরও বাড়িয়ে দেয়।
ম্যাচের ৭৮ মিনিটে পিএসজি পায় জয়সূচক গোল। জোয়াও নাভাসের গোলে এগিয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ে গনসালো রামোসের আরেকটি গোল সিটির জন্য পরাজয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
এই হারে সিটির চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ নিশ্চিত করার আশা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লিগ টেবিলে এখন তাদের অবস্থান ২৫ নম্বরে। শেষ ম্যাচে ক্লাব ব্রুগাকে হারাতে না পারলে এটাই হতে পারে গার্দিওলার দলের জন্য মৌসুমের শেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচ।












