ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে সেলিম ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত হয়েছেন। এছাড়াও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক।
সেলিম ভূঁইয়া নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের খিলপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ছিলেন। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার সমর্থক এবং হেসাখাল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
জানা গেছে, শনিবার পেরিয়া ইউনিয়নের কাকৈরতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে, বাঙ্গড্ডা বাদশাহ মিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই দুটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় সেলিম ভূঁইয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়া জানান, কাকৈরতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভায় যাওয়ার পথে বাঙ্গড্ডা পশ্চিম বাজারে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার কর্মী ও সমর্থকদের হামলায় সেলিম নিহত হন। এছাড়াও এ ঘটনায় ৫ থেকে ৭ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে একটি দাওয়াতে আমরা উপস্থিত ছিলাম। এ ঘটনা সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।”
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এ ঘটনা সম্পর্কে বলেন, “আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।”
নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক বলেন, “বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”












